গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ধর্ষক দুই যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, তারা পাঁচজন মিলে ঐ কিশোরীকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে। এতে তার মৃত্যু হলে মরদেহ হাতিরঝিলে ফেলে দেয়।
আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর, পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনীর লাশ উদ্ধার। পুলিশের ধারণা, নাতনীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
প্রকাশিত-অপ্রকাশিত এমন অসংখ্য নারীধর্ষণ, ধর্ষণজনিত এবং ধর্ষণপরবর্তী হত্যার বিরামহীন ঘটনা ঘটেই চলেছে। দুঃখজনকভাবে সরকার কখনোই নারীর উপর নৃশংসতা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এহেন পরিস্থিতিতে নারীপক্ষ ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
নব-নির্বাচিত সরকারে কাছে নারীপক্ষ’র দাবি, অনতিবিলম্বে প্রতিটি ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত এবং ধর্ষণপরবর্তী হত্যা ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচার নিশ্চিত করুন। নারীর উপর ধর্ষণসহ সকল প্রকার সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিন। এই সকল ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তর কর্তৃক গৃহীত হালনাগাদ তথ্য ও পদক্ষেপ জনসমক্ষে প্রকাশের ব্যবস্থা নিন। দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করুন।
গীতা দাস
আন্দোলন সম্পাদক, নারীপক্ষ।