১০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২/২৫ নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ‘নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস। এবছর ৬১টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত “নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদযাপন কমিটি”র উদ্যোগে “নারীর জন্য রাজনীতি করি, সহিংসতা রোধে একসাথে লড়ি।” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। এছাড়াও ঢাকাসহ সারা দেশব্যাপী সহযোগী সংগঠন ও নারী সংগঠনসমূহের জাতীয় নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন (দুর্বার) এর মাধ্যমে মোট ৬৪টি জেলায় দিবসটি বিভিন্ন সময়ে পালন করা হয়েছে। মানিক মিয়া এভিনিউ (সংসদ ভবনের সামনে) বিকাল ৪টায় জমায়েত হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে এরপর ঘোষণাপত্র পাঠ করেন নারীপক্ষ’র সদস্য রেহানা সামদানী। ১টি কোরাস গান পরিবেশন করেন কর্মজীবী নারীর সাংস্কৃতিক দল ও উপস্থিত সকলে। নৃত্য পরিবেশন করেন মুক্তা ঠাকুর ও তার দল। পথনাটক পরিবেশন করেন ব্র্যাক। সূর্যাস্তের পর মশাল মিছিল শুরু হয়। মশাল মিছিলটি মানিক মিয়া এভিনিউ (সংসদ ভবনের সামনে) শুরু হয়ে খেজুর বাগান গোলচত্ত¡র ঘুরে পুনরায় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মশাল মিছিলে শ্লোগান ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নুর জাহান বেগম, বহ্নিশিখা।
নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস ২০২৫ -লিফেলেট
“নারীর জন্য রাজনীতি করি, সহিংসতা রোধে একসাথে লড়ি”
পরিবারে, সমাজে, রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে, প্রতিষ্ঠানে, যানবাহনে দিনে অথবা রাতে, শিশু থেকে বৃদ্ধ, অতি গরীব থেকে অতি ধনী, যেকোনও শ্রেণি, ধর্ম বা জাতি-গোষ্ঠী, গৃহিনীসহ যেকোনও পেশার নারীই চরম নিগ্রহ ও নির্যাতনের শিকার হয়। এর মূলে রয়েছে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী-পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য এবং সর্বত্র নারীকে অধস্তন করে রাখার নীতি ও চর্চা। রাজনীতিতেও এর ব্যতিক্রম নয়। নারীর উপর সহিংসতা বা নির্যাতনের এটিও একটি কারণ।
১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর ডোমিনিক্যান রিপাবলিকের স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী মিরাবেল ভগ্নিত্রয়কে সেনা সদস্য দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যাকাÐকে স্মরণ করে ১৯৮১ সালে ল্যাটিন আমেরিকান ও ক্যারিবিয় নারী সম্মেলন ২৫ নভেম্বরকে “নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস” ঘোষণা করে। লক্ষ্য ছিলো নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর উইমেন্স গেøাবাল লিডারশীপের এক প্রশিক্ষণে ২৩টি দেশ থেকে আগত অংশগ্রহণকারীগণ “নারী নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘন”-এই ঘোষণার ভিত্তিতে ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ‘মানবাধিকার দিবস’ পর্যন্ত পক্ষকাল ব্যাপী নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাব করেন। এই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশে দেশে হাজার হাজার সংগঠন ১৬দিনব্যাপী নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ^ব্যাপী অভিযানে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশে ‘নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদ্যাপন কমিটি’ ১৯৯৭ সাল থেকে প্রতিবছর একেকটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য “নারীর জন্য রাজনীতি করি, সহিংসতা রোধে একসাথে লড়ি।”
রাজনীতির মাধ্যমেই সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিধি-বিধান ও আইন-কানুন তৈরি হয়। রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান, আইন-কানুন পারিবারিক ও সামাজিক নিয়ম-নীতির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব রাখে, যেমন: উত্তরাধিকার এবং অভিভাবকত্ব আইন। এই দু’টি আইন দ্বারাই নারী চরমভাবে বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হয়, যা তার অধস্তন অবস্থান তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ভ‚মিকা রাখে; আর অধস্তনে থাকা মানুষগুলোই সবসময় নির্যাতন-নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হয় সবচেয়ে বেশি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর কিছু কিছু বিচরণ থাকলেও স্বাধীন ও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি একেবারেই নগণ্য। রাজনীতিতে নারীদের কেবল অলঙ্কার বা প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি নেই বললেই চলে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে নারীর যোগ্যতা ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা নিজেরা নেতৃত্ব দিতে পারে; দলীয় এবং জাতীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে। তাহলেই নারীর সপক্ষে সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিধি-বিধান ও আইন-কানুন তৈরি হবে, যা নারীর উপর সহিংসতাকে কমিয়ে এনে ক্রমশঃ নির্মূলের দিকে নিয়ে যাবে এবং নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে।
আমাদের দাবি:
* হুমকি-ধমকি, দঙ্গল সৃষ্টি, হয়রানি, সহিংসতা এবং ভোটের রাজনীতিতে কর্মঘন্টা কমানোর প্রলোভন দেখিয়ে নারীকে গৃহবন্দী করার কুটকৌশল বন্ধ করুন
* প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জেন্ডার সমতা এবং নারীকে সকল মাধ্যমে সকল প্রকার সহিংসতা থেকে সুরক্ষা দিতে স্পষ্ট নীতিমালা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করতে হবে
* জাতীয়, স্থানীয় ও দলীয় কাঠামোর প্রতিটি স্তরে নারীর জন্য অর্থবহ নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে
* আদিবাসী নারী, দলিত নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারী, প্রতিবন্ধী নারী, যৌনকর্মী নারী, লিঙ্গবৈচিত্র্যের নারীসহ সকল প্রান্তিক নারীর অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করতে হবে
* ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে
* ধর্মীয় নেতা, শিক্ষাবিদ ও এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে সমন্বয় করে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য ও আচরণ প্রতিহত করতে হবে
* শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নাটক ও নৃত্যসহ সংস্কৃতি চর্চায় নারীর অবাধ অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি ও পরিসর বাড়াতে হবে
* এমন কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে যা রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের পথ সুগম করবে এবং নারীকে হয়রানি ও ভয়ভীতি থেকে সুরক্ষা দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সহিংসতামুক্ত নারীর জীবন গড়তে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার দিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে, তাই আসুন আমরা নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি। যেকোনও স্থানে, যেকোনও সময়ে, যেকোনও পরিস্থিতিতে নারীর উপর সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াই, প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ি।
কর্মসূচি: ঘোষণাপত্র পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মশাল মিছিল
দিন-ক্ষণ: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২/২৫ নভেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা
স্থান: মানিক মিঞা এভিনিউ (জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণে), ঢাকা।
এছাড়া, ঢাকার বাইরে ৬৩টি জেলায় একই প্রতিপাদ্য নিয়ে দুর্বার নেটওয়ার্ক এবং সহযোগী সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করছে।
নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদ্যাপন কমিটি
ঘোষণাপত্র
পরিবারে, সমাজে, রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে, প্রতিষ্ঠানে, যানবাহনে দিনে অথবা রাতে, শিশু থেকে বৃদ্ধ, অতি গরীব থেকে অতি ধনী, যেকোনও শ্রেণি, ধর্ম বা জাতি-গোষ্ঠী, গৃহিনীসহ যেকোনও পেশার নারীই চরম নিগ্রহ ও নির্যাতনের শিকার হয়। এর মূলে রয়েছে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী-পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য এবং সর্বত্র নারীকে অধস্তন করে রাখার নীতি ও চর্চা। রাজনীতিতেও এর ব্যতিক্রম নয়। নারীর উপর সহিংসতা বা নির্যাতনের এটিও একটি কারণ।
১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর ডোমিনিক্যান রিপাবলিকের স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী মিরাবেল ভগ্নিত্রয়কে সেনা সদস্য দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যাকাÐকে স্মরণ করে ১৯৮১ সালে ল্যাটিন আমেরিকান ও ক্যারিবিয় নারী সম্মেলন ২৫ নভেম্বরকে “নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস” ঘোষণা করে। লক্ষ্য ছিলো, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর উইমেন্স গেøাবাল লিডারশীপের এক প্রশিক্ষণে ২৩টি দেশ থেকে আগত অংশগ্রহণকারীগণ “নারী নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘন”-এই ঘোষণার ভিত্তিতে ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ‘মানবাধিকার দিবস’ পর্যন্ত পক্ষকাল ব্যাপী নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাব করেন। এই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশে দেশে হাজার হাজার সংগঠন ১৬দিনব্যাপী নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ^ব্যাপী অভিযানে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশে ‘নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদ্যাপন কমিটি’ ১৯৯৭ সাল থেকে প্রতিবছর একেকটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য “নারীর জন্য রাজনীতি করি, সহিংসতা রোধে একসাথে লড়ি।”
রাজনীতির মাধ্যমেই সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিধি-বিধান ও আইন-কানুন তৈরি হয়। রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান, আইন-কানুন পারিবারিক ও সামাজিক নিয়ম-নীতির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব রাখে, যেমন: উত্তরাধিকার এবং অভিভাবকত্ব আইন। এই দু’টি আইন দ্বারা নারী চরমভাবে বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হয়, যা তার অধস্তন অবস্থান তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ভ‚মিকা রাখে; আর অধস্তনে থাকা মানুষগুলোই সবসময় নির্যাতন-নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হয় সবচেয়ে বেশি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর কিছু কিছু বিচরণ থাকলেও স্বাধীন ও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি একেবারেই নগণ্য। রাজনীতিতে নারীদের কেবল অলঙ্কার বা প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি নেই বললেই চলে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে নারীর যোগ্যতা ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা নিজেরা নেতৃত্ব দিতে পারে; দলীয় এবং জাতীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে। তাহলেই নারীর সপক্ষে সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিধি-বিধান ও আইন-কানুন তৈরি হবে, যা নারীর উপর সহিংসতাকে কমিয়ে এনে ক্রমশঃ নির্মূলের দিকে নিয়ে যাবে এবং নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে।
আমাদের দাবি:
* হুমকি-ধমকি, দঙ্গল সৃষ্টি, হয়রানি, সহিংসতা এবং ধর্মকে হাতিয়ার করে, ভোটের রাজনীতিতে কর্মঘন্টা কমানোর প্রলোভন দেখিয়ে নারীকে গৃহবন্দী করার ক‚টকৌশল বন্ধ করুন
* প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জেন্ডার সমতা এবং নারীকে সকল মাধ্যমে সকল প্রকার সহিংসতা থেকে সুরক্ষা দিতে স্পষ্ট নীতিমালা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করুন
* জাতীয়, স্থানীয় ও দলীয় কাঠামোর প্রতিটি স্তরে নারীর জন্য অর্থবহ নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা নিশ্চিত করুন
* আদিবাসী নারী, দলিত নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারী, প্রতিবন্ধী নারী, যৌনকর্মী নারী, লিঙ্গবৈচিত্র্যের নারীসহ সকল প্রান্তিক নারীর অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করুন
* ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলুন
* ধর্মীয় নেতা, শিক্ষাবিদ ও এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে সমন্বয় করে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য ও আচরণ প্রতিহত করুন
* শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নাটক ও নৃত্যসহ সংস্কৃতি চর্চায় নারীর অবাধ অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি ও পরিসর বাড়ান
* এমন কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত করুন যা রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের পথ সুগম করবে এবং নারীকে হয়রানি ও ভয়ভীতি থেকে সুরক্ষা দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সহিংসতামুক্ত নারীর জীবন গড়তে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার দিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। আসুন, আমরা নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি; যেকোনও স্থানে, যেকোনও সময়ে, যেকোনও পরিস্থিতিতে নারীর উপর সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াই, প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ি।
